কোনো দেশের নাগরিককেই ধর্ম দিয়ে বিভাজিত করা যাবে না

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড মনোয়ারুল হক প্রকাশিত: ০৬ জুলাই ২০২২, ১৯:০০

ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের মুখপাত্রখ্যাত ন্যাশনাল হেরাল্ড পত্রিকায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেনের সাম্প্রতিক ভারত সফরে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাক্ষাৎ না দেওয়ার সমালোচনা করে এক নিবন্ধ প্রকাশ করেছে। ভারতের সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিস্ট এস এন এম আবদির লেখা নিবন্ধের আলোকে গতকাল ঢাকা ট্রিবিউন এক নিবন্ধ প্রকাশ করে। আবদি ভারত- বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে ভারতীয় পররাষ্ট্রনীতির কিছু গুরুতর প্রশ্ন উপস্থাপন করেছেন।


আবদি'র মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাক্ষাৎ দিচ্ছেন কি না তার উপর নির্ভর করে কোন বিদেশি অতিথির সফর দিল্লি কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে। ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অগ্রাধিকারের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান তাহলে কোথায়? প্রশ্ন রেখেছেন তিনি।


ভারত- বাংলাদেশ জয়েন্ট কনসালটেটিভ কমিশনের (জেসিসি) বৈঠকে যোগ দিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন ১৮ জুন ভারত সফর করেন। অথচ এই সফরের ১০দিন আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিল্লি সফর করেন এবং মোদি তাকে সাক্ষৎ দেন- যা ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণায়য়ের আনুষ্ঠানিক ওয়েব পেজে ফলাও করে প্রচার করা হয়। এস এন এম আবদি তার নিবন্ধে উল্লেখ করেছেন, ২০১৪ সালে জেসিসি বৈঠকে যোগ দেওয়া বাংলাদেশের তখনকার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে সাক্ষাৎ দিয়েছিলেন। আবদি যদিও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ভারতের এই নয়া অবস্থানকে কিছুটা কংগ্রেসের দৃষ্টিভঙ্গীর আলোকে 'অন্যায্য' বলে উল্লেখ করছেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

সংবাদ সূত্র

News

The Largest News Aggregator
in Bengali Language

Email: [email protected]

Follow us