অনন্য সাহসী এক নারী

আজকের পত্রিকা নুসরাত জাহান শুচি প্রকাশিত: ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩, ১০:২৯

একসময় আমাদের দেশের শুধু নয়, ভারতবর্ষের চার দেয়ালের মধ্যে বন্দী মুসলিম নারীরা জানতেন না যে তাঁদের ঘরের বাইরে পৃথিবী বলে কিছু আছে। বিশাল এই পৃথিবীর আকাশ-বাতাস, চাঁদ-তারা, মেঠোপথ, নদী-নালা, পাহাড়, সমুদ্র, দেশের সীমানা ছাড়িয়ে গড়ে ওঠা মহাদেশ এবং বরফে ঢাকা আটলান্টিক, যার কোনোটাই তাঁদের দেখার সুযোগ ছিল না। এমনকি নারীদের কেউ কেউ খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে পাখির ওড়াও দেখেননি, তাঁদের কল্পনা কখনো দিগন্ত ছুঁতে পারেনি। অন্দরমহলেই যাঁদের জন্ম, সেখানেই বেড়ে ওঠা। কেবল মৃত্যুর পরেই তাঁদের দেহ অন্দরমহল থেকে বের হতে পারত।


এ রকম অবস্থায় যখন ভারতীয় নারীরা অসহনীয় অবস্থায় নিপতিত, সেই সময়ে নারী জাগরণের অগ্রদূত হয়ে বেগম রোকেয়ার জন্ম। তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর, রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দ গ্রামে।


জমিদারবাড়িতে তাঁর জন্ম। তিনি শৈশবে দেখেছেন মাত্র কয়েকটি টাকার জন্য কন্যাসন্তান বিক্রি করতে। নারীরাও যে মানুষ সেই সময়ে তিনি তা অনুভব করেছিলেন। স্বভাবতই তিনি ছিলেন কিছুটা আলাদা।


পিতা জহিরুদ্দীন মোহাম্মদ আবু আলী হায়দার সাবের একজন শিক্ষিত জমিদার হলেও মেয়ের শিক্ষার বিষয়ে ছিলেন রক্ষণশীল।
কিন্তু পড়াশোনার নিষেধাজ্ঞা বেগম রোকেয়াকে দমাতে পারেনি। তাঁর সাহিত্যপ্রেমী বড় দুই ভাই মোহাম্মদ ইব্রাহীম আবুল আসাদ সাবের, খলিলুর রহমান আবু যায়গাম সাবের ও বোন কামরুন্নেসার কাছে আরবি, ফারসি, ইংরেজি, উর্দু ভাষাই আয়ত্ত করেননি; বরং শিক্ষালাভ, সাহিত্যচর্চা ও মূল্যবোধও গড়ে তুলেছেন।


১৯৯৮ সালে বিহারের ভাগলপুরের উর্দুভাষী সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে রোকেয়ার বিয়ে হয়। তিনি ছিলেন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট। সমাজসচেতন, কুসংস্কারমুক্ত, প্রগতিশীল, উদার ও মুক্তমনের অধিকারী স্বামীর উৎসাহ ও সহযোগিতায় তিনি কেবল ইংরেজি ভাষায়ই দক্ষতা অর্জন করেননি; বরং তাঁর সাহিত্য প্রতিভার উন্মেষ ঘটে। এ সময় রোকেয়া দেশি-বিদেশি লেখকদের রচনার সঙ্গে নিবিড়ভাবে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পান।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
ট্রেন্ডিং

সংবাদ সূত্র

News

The Largest News Aggregator
in Bengali Language

Email: [email protected]

Follow us