খালেদা ও ফখরুলকে শিষ্টাচার শিখতে বললেন তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা পোষ্ট প্রকাশিত: ৩১ আগস্ট ২০২২, ১৮:৪৭

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আমাদের প্রধানমন্ত্রীর শিষ্টাচার নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। আমি বলব, খালেদা জিয়া, মির্জা ফখরুল ইসলাম ও বিএনপি নেতাকর্মীরা শিষ্টাচার জানেন না। তাদের শিষ্টাচার শিখতে হবে।


বুধবার (৩১ আগস্ট) বিকেল ৩টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) ১৫ ও ২১ আগস্টের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।


তিনি বলেন, আমি ফখরুল সাহেবকে অনুরোধ জানাই দেশের প্রধানমন্ত্রী যখন খালেদা জিয়ার পুত্র কোকোর মৃত্যুতে দেখা করতে গিয়েছিলেন তাকে ঢুকতে না দিয়ে ২০ মিনিট দাঁড় করিয়ে রেখেছিল এটা কি ধরনের শিষ্টাচার? প্রধানমন্ত্রী যখন খালেদা জিয়াকে গণভবনে আমন্ত্রণ জানালো কথা বলার জন্য তখন তিনি যে ভাষায় কথা বলেছেন সেটা কী ধরনের শিষ্টাচার? ২১ আগস্ট তৎকালীন বিরোধী দলের নেত্রী আহত হলেন সংসদে দাঁড়িয়ে খালেদা জিয়া বললেন তাকে কে মারতে যাবে? তিনি সঙ্গে করে গ্রেনেড নিয়ে গিয়েছিলেন। এটা কী ধরনের শিষ্টাচার? মির্জা ফখরুল প্রধানমন্ত্রীর শিষ্টাচারের কথা বলেন, শিষ্টাচার আমাদের শেখাবেন না।‌ শিষ্টাচার খালেদা জিয়া ও আপনাদের শেখা উচিত।


মন্ত্রী বলেন, গুম খুন নিয়ে সংবাদমাধ্যমে অবশ্যই সংবাদ পরিবেশিত হবে কিন্তু তাদের আমি বিনীতভাবে অনুরোধ জানাব দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘন বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের বিচারের পথ বন্ধ করা। ২১ শে আগস্টে গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা চালানোর জন্য ২৪ জন নিরীহ মানুষকে হত্যা করা এবং সেই হত্যাকাণ্ড নিয়ে উপহাস করা। ২১ আগস্টের হামলা নিয়ে সংসদে তখনকার বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা সংসদে একটি নিন্দা প্রস্তাব আনার জন্য বলেছিলেন। বেগম খালেদা জিয়া সেটি করতে দেননি। ২৪ জন নিহত হলেন, সংসদের বিরোধী দলীয় নেত্রী আহত হলেন তারপরেও নিন্দা প্রস্তাব আনতে দেননি। এটা কি মানবাধিকার লঙ্ঘন নয়?


মানবাধিকার নিয়ে যারা লেখেন তাদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান যাদের রাতের অন্ধকারে কোনো বিচার ছাড়া ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করেছিলেন তাদের পরিবার রাস্তায় রাস্তায় মানববন্ধন করছেন। ফাঁসি দেওয়ার তিন মাস পরে রায় হয়েছিল। বিচারের আগেই ফাঁসি দিয়েছিলেন। এসব হলো সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

ট্রেন্ডিং

সংবাদ সূত্র

News

The Largest News Aggregator
in Bengali Language

Email: [email protected]

Follow us