কুইক লিঙ্ক : মুজিব বর্ষ | করোনা ম্যাপ | করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব

নুসরাত ফারিয়ার বিয়ে...

প্রথম আলো প্রকাশিত: ১১ জুন ২০২০, ১২:৩৮

নায়িকার বিয়ে বলে কথা, নাটকীয়তা তো থাকবেই। তা-ই হলো। বছরখানেক ধরে গুঞ্জন ফিসফাস, ‘নুসরাত ফারিয়া বিয়ে করেছেন!’ কিন্তু কোনো গুঞ্জনই ধোপে টেকে না। অবশেষ ফারিয়া নিজেই জানালেন, আপাতত হয়েছে আংটি-বদল, শিগগিরই বিয়ে। গত ২১ মার্চ ঘরোয়া আয়োজনে বাগদান হয়েছে নুসরাত ফারিয়ার। হবু বরের নাম রনি রিয়াদ রশিদ। একটি টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)। চলুন বাকিটা জেনে নিই নুসরাত ফারিয়ার মুখ থেকেই। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন শফিক আল মামুন আপনাদের দুজনের পরিচয় কীভাবে? নুসরাত ফারিয়া: আমার বন্ধুর মাধ্যমে এক অনুষ্ঠানে তার সঙ্গে পরিচয়। সে রনিরও বন্ধু। দিনটি ছিল ২০১৩ সালের ২১ মার্চ।

তখন সে অষ্ট্রেলিয়া থেকে সবে দেশে ফিরেছে। আমি তখনো সিনেমায় নাম লেখাইনি। পড়াশোনার পাশাপাশি উপস্থাপনা করতাম। পরিচয়ের পর টুকটাক দেখা হতো, কথা হতো। এভাবেই চলছিল। প্রেমের শুরু কখন? ফারিয়া: অনেক দিন পরপর দেখা হলে কথা হতো। কিন্তু আমি বুঝতে পারতাম সে আমাকে পছন্দ করে। তত দিনে সে গ্রামীণফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার পদে কর্মরত। এভাবে চলতে চলতে বছরখানেক পর সে আমাকে সরাসরি প্রস্তাব দেয়। আমিও রাজি হয়ে যাই। বলতে পারেন সে আমার জীবনে এ ধরনের প্রথম বয়ফ্রেন্ড। আগে এমন সম্পর্কে কারোর সঙ্গে জড়াইনি আমি। ২০১৪ সালে এসে আমাদের মধ্যে সম্পর্ক হয়। আমাদের সম্পর্ক আজকের অবস্থানে এসেছে অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে।

কেমন সেটা? ফারিয়া: দুজনের দুই ধরনের পেশার কারণে এটি হয়েছে। সে সময় আমি একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ পড়ার পাশাপাশি উপস্থাপনা করে যাচ্ছিলাম। প্রচুর ব্যস্ত ছিলাম। অন্যদিকে রনির অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা। অফিস থেকে বেরিয়েও তার আরও কাজ থাকত। ওদিকে আমার উপস্থাপনার কাজ। এ কারণে দেখা হতো কম। এমন হয়েছে, ১৫ দিনে একবার দেখা হয়েছে। ওই সময় আমার মনে হয়েছে হিসাব করলে এক বছরে মাত্র ১৫ থেকে ২০ মিনিট কথা হয়েছে আমাদের। সম্পর্কের প্রায় সাত বছর পরে এসে আংটিবদল হলো। এত সময় নিলেন কেন? ফারিয়া: সত্যি কথা কি, আমার যেমন মানুষ পছন্দ, তেমন একজন মানুষ পেয়েছি আমি। সময় যতই লাগুক, আমার একে অপরের ওপর অগাধ বিশ্বাস ছিল। সেই জায়গাটা আমরা তৈরি করতে পেরেছি। তা ছাড়া দুই পরিবারকে এক জায়গায় আনতেও একটু সময় লেগেছে। তবে দুই পরিবার থেকে আমাদের এতটাই সমর্থন, সহযোগিতা দিয়েছে, স্বপ্নেও ভাবিনি।

দুই পরিবার কখন জানতে পারল আপনাদের এই সম্পর্কের কথা? প্রতিক্রিয়া কী ছিল? ফারিয়া: ২০১৭ সালে আমাদের সম্পর্কের কথা দুই পরিবার জানতে পারে। প্রথমে দুই পরিবার খানিকটা ধাক্কা খায়। আমার বাবা-মা একটু চিন্তিত ছিলেন আমাদের দুজনের বয়সের পার্থক্য নিয়ে। ওর বাবা-মা ছেলেকে নিয়ে চিন্তা করেননি, আমাকে নিয়ে চিন্তা করেছেন। এই নিয়ে একটু দ্বিধা ছিল। পরে আমরা ঠিকই মানিয়ে নিয়েছিলাম। আর আমাদের বোঝাপড়া দেখে ২০১৮ সালের পর থেকেই দুই পরিবার থেকে বিয়ের চাপ আসতে থাকে। ২০১৯ সালে আমাদের বিয়ের কথা ছিল। কিন্তু পরে সেটা আমরাই পিছিয়ে দিই।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও