লকডাউন বা নিষেধাজ্ঞায় ভাবা হয়নি গরিবের কথা

ডেইলি স্টার গোলাম মোর্তোজা প্রকাশিত: ০৪ এপ্রিল ২০২১, ১৮:৫৩

সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ৩ মার্চ ঘোষণা দিয়েছিলেন লকডাউনের। ৪ মার্চ সরকার ঘোষিত নিষেধাজ্ঞায় লকডাউন শব্দটি ব্যবহার না করে কিছু সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দেরিতে হলেও এবারের করোনাভাইরাস সংক্রমণের বিষয়টি সরকার যে গুরুত্ব দিয়ে নিয়েছে, জারি হওয়া নিষেধাজ্ঞায় তা অনুভূত হয়। গণপরিবহন, সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বন্ধ থাকার কথা বলা হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি অফিস সীমিত পরিসরে খোলা রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কর্মীদের নিজ পরিবহনে আনা-নেওয়ার কথা। রাতে বের না হওয়া, শপিংমল বন্ধ রেখে অনলাইন বেচা-কেনা চালু, নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত খোলা জায়গায় কাঁচা বাজার, পোশাক শ্রমিকদের জন্যে কারখানার আশেপাশে ফিল্ড হাসপাতাল তৈরির কথাও বলা হয়েছে। পোশাক কর্মীরা কারখানায় যাবেন কীভাবে, তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি। নিষেধাজ্ঞার এই ঘোষণার কিছুক্ষণের মধ্যে জানা গেল বইমেলা চলবে। একটির সঙ্গে আরেকটি সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক সিদ্ধান্ত।


এ ধরনের নিষেধাজ্ঞায় অনেককিছু বন্ধ বা সীমিত পরিসরে চালু থাকলে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন নিম্ন আয়ের মানুষ। দিন এনে দিন খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ, বস্তিবাসী। তাদের তাৎক্ষণিক সহায়তা, খাদ্যের যোগান দেওয়া বিষয়ে কোনো কিছু বলা হয়নি সরকারি ঘোষণায়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
ঘটনা প্রবাহ

ট্রেন্ডিং

সংবাদ সূত্র

News

The Largest News Aggregator
in Bengali Language

Email: [email protected]

Follow us