বিএনপি কখনোই আওয়ামী লীগের বিকল্প নয়

সমকাল দিলীপ বড়ুয়া প্রকাশিত: ২৪ নভেম্বর ২০২২, ১১:১০

বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের (এম-এল) সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ূয়া ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের শিল্পমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৪ সালে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নে যোগ দেওয়ার সময় তিনি দশম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। ১৯৬৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন। একই বিভাগ থেকে ১৯৭০ সালে স্নাতক ও ১৯৭১ সালে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। এ ছাড়া একই বিশ্ববিদ্যালয়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা এবং আইন বিষয়েও পড়াশোনা করেন। ১৯৬৯ সালে তিনি পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টিতে (এম-এল) যোগ দেন। দিলীপ বড়ূয়ার জন্ম ১৯৪৯ সালে, চট্টগ্রামে।


দিলীপ বড়ূয়া: একটি জোট হয় কতগুলো প্রয়োজনের নিরিখে। আবার এই জোট চিরস্থায়ী কোনো বিষয়ও নয়। ১৪ দলীয় জোটও সেভাবে গড়ে উঠেছিল। ২০০৪ সালে যখন গ্রেনেড হামলা হয়েছিল, তখন আমরা ১১ দলীয় জোটে ছিলাম। সেই সময়ে বর্তমানের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিরোধী দলের নেতা ছিলেন। তিনি একই সঙ্গে আওয়ামী লীগেরও প্রধান। তখন আওয়ামী লীগ নেতারা বলেছিলেন- একসঙ্গে আন্দোলন, একসঙ্গে নির্বাচন, একসঙ্গে ক্ষমতা। সে কথায় আমরা আশ্বস্ত হয়েছিলাম। পরে ১১ দলীয় জোটের সঙ্গে যুক্ত হলো আওয়ামী লীগ, জাসদ ও ন্যাপ। এর পর ২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট সরকার হয়েছিল। সেই সরকারকেই কেবল মহাজোটের সরকার বলা যাবে। এর পর ২০১৪ ও '১৮ সালের নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সরকার গঠন হয়েছে। সেখানে জোটের আর কারও অংশীদারিত্ব নেই। তবে আমরা ক্ষমতাসীন জোটে আছি। এর বাইরে বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের যে লক্ষ্য ও আদর্শ- লুটেরা শ্রেণির কাছ থেকে দেশকে রক্ষা করা, সাম্য নিশ্চিতে লড়াই করা, তা অব্যাহত আছে।


আমাদের সব লক্ষ্য বা কর্মসূচি বাস্তবায়ন হয়নি সত্যি। কিছু কিছু হয়েছে। যেমন- দেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের রায় কার্যকর হয়েছে। সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করা দল জামায়াতের রাজনীতির ওপর আইনি নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি বিচারাধীন। জামায়াতের বিরুদ্ধে দেশে একটি জনমত তৈরি হয়েছে। মোটা দাগে এমন কিছু দাবি পূরণ হয়েছে। আবার ২০১৪ সালের নির্বাচনে অংশ না নিয়ে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি-জামায়াত যেভাবে সহিংসতা চালিয়েছে, সে সময়ে আমরা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর পাশে সমর্থন নিয়ে থেকেছি। দেশে হলি আর্টিসানের মতো ঘটনা ঘটেছে, যা কিনা বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র প্রমাণের জন্য করা হয়েছিল। সেখান থেকে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছে। পরে চীনের প্রেসিডেন্ট যখন বাংলাদেশ সফরে এলেন; বিশ্ববাসী দেখল, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে। এখানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এটা ঠিক, বর্তমানে যে সরকার, তা আওয়ামী লীগের। সেখানে আমাদের অংশগ্রহণ নেই। তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আবার ১৪ দল ঐক্যবদ্ধ হবে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

সংবাদ সূত্র

News

The Largest News Aggregator
in Bengali Language

Email: [email protected]

Follow us