রুশ বাহিনীর ‘আংশিক সেনা সমাবেশের’ প্রথম দিনে যত অভিযোগ

প্রথম আলো প্রকাশিত: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৭:৪৭

রাশিয়ার স্থানীয় সময় তখন মধ্যরাত। যুদ্ধে যাওয়ার মতো উপযুক্ত বলে বিবেচিত ব্যক্তিদের জরুরি তলব করা হলো। স্কুলশিক্ষকদের বলা হলো, তাঁরা যেন যুদ্ধে যোগ দেওয়ার জন্য উপযোগী মানুষদের কাছে চিঠি পাঠান। পুরুষদের ব্যাগ গুছিয়ে এক ঘণ্টার মধ্যে নিয়োগকেন্দ্রে পৌঁছাতে বলা হয়।


ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘোষণা অনুযায়ী রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে সেনা সমাবেশের প্রথম দিনটিতে নিয়োগকেন্দ্রগুলোতে আবেগঘন দৃশ্য দেখা গেছে। সরকারের চিঠি পেয়ে যুদ্ধে যেতে বাধ্য হওয়া এই মানুষদের স্বজনেরা প্রিয় মানুষকে বিদায় দিতে এসে কাঁদছিলেন। কিছু নিয়োগকেন্দ্রে বিক্ষোভও দেখা গেছে।


ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধকে কেন্দ্র করে গত বুধবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ‘আংশিক সেনা সমাবেশ’ করার ঘোষণা দেন। সামরিক বাহিনীর রিজার্ভ সেনাদের একটি অংশকে ডাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম রাশিয়া এ ধরনের সেনা সমাবেশ করতে যাচ্ছে। এর আওতায় নতুন করে তিন লাখের বেশি সেনাকে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। যাঁদের যুদ্ধে অংশগ্রহণের উপযোগী বিবেচনা করা হচ্ছে, তাঁদের বাড়িতে চিঠি পাঠানো হচ্ছে। বৃহস্পতিবার ছিল সেনা সমাবেশের প্রথম দিন।


পূর্বাঞ্চলীয় সাইবেরিয়ার বুরিয়াতিয়াতে জাকামেনস্কি অঞ্চলের এক নারী বলেন, মধ্যরাতে কুকুরগুলো যখন ডেকে উঠল, তখন তাঁর মনে হচ্ছিল কোনো একটা বিপদ হচ্ছে। ওই গ্রামে ৪৫০ জন বাসিন্দার বসবাস। গ্রামের প্রধান বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে নিয়োগপত্র দিয়েছেন। সে রাতে ২০ জনের বেশি বাসিন্দাকে যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য চিঠি দিয়েছেন তিনি। গ্রামপ্রধান বলেন, পরদিন সকালে সেসব মানুষ যখন যুদ্ধক্ষেত্রের উদ্দেশে রওনা করছিলেন, তখন এক আবেগঘন দৃশ্য তৈরি হয়।


কেউ তখন ভদকা পান করেছিলেন। অনেকে আবার স্বজনদের সঙ্গে আলিঙ্গন করে একে অপরকে নিরাপদ থাকতে বলেছিলেন। মিনিবাসে করে তাঁরা যখন চলে যাচ্ছিলেন, তখন পরিবারের নারীরা কাঁদছিলেন এবং ক্রস প্রতীক তৈরি করছিলেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

সংবাদ সূত্র

News

The Largest News Aggregator
in Bengali Language

Email: [email protected]

Follow us