কুইক লিঙ্ক : মুজিব বর্ষ | করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব | প্রিয় স্টোর

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চোখে পানি

বাংলাদেশ প্রতিদিন বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী প্রকাশিত: ১৮ মে ২০২১, ০০:০০

গতকাল ছিল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের চার দশক। এক ঝড়-তুফানের দিনে তিনি পিতার হত্যার ছয় বছর পর দেশে ফিরেছিলেন। তাঁর প্রত্যাবর্তন মঙ্গলময় হয়েছিল বলে তিনি আজ প্রধানমন্ত্রী।


ঈদ পেরিয়ে চার দিন। ঈদ মুবারক বলতেও বুকে বাধে। ঈদ নিয়ে ঘরমুখো মানুষের অবর্ণনীয় দুঃখ-কষ্ট দেখলে ব্যথায় বুক ভেঙে খানখান হয়ে যায়, আপনা থেকেই চোখে পানি আসে। এ দেশের মানুষ রাস্তাঘাটে এমন অবর্ণনীয় দুঃখ-কষ্ট করেছিল ১৯৭১-এর মার্চে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর নির্মম আক্রমণে। আমার প্রিয় আমেরিকাপ্রবাসী ড. নুরুন্নবী তার বইয়ে লিখেছে, হানাদার পাকিস্তানিদের আক্রমণের আগে আগে হল ছেড়ে জিঞ্জিরা গিয়েছিল। পাঁচ-ছয় দিন জিঞ্জিরায় এ বাড়ি-ও বাড়ি থেকে পায়ে হেঁটে নবীনগর পৌঁছে। সেখান থেকে কখনো হেঁটে কখনো গাড়িতে তিন-চার দিনে বাড়ি ফিরেছিল। করোনায় আক্রান্ত বাংলাদেশে এ নিয়ে মনে হয় তিনবার লাখ লাখ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হলো। গত বছর কোনো নোটিস ছাড়াই গার্মেন্ট ফ্যাক্টরি বন্ধ করে দেওয়ায় রাস্তায় মানুষের ঢল নেমেছিল। কদিন যেতে না যেতে ফ্যাক্টরি খুলে দেওয়ায় আবার ফিরতি ঢল। অনেক বিজ্ঞ পন্ডিত অনেক রকম অনেক ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। কিন্তু তাদের মুখে ছাই দিয়ে শ্রমিকরা তেমন কেউ করোনায় আক্রান্ত হয়নি। এ বছর ঈদযাত্রায় মারাত্মক দুর্ভোগের কারণ দূরপাল্লার গণপরিবহন বন্ধ, ছোট ছোট গাড়ি এক টাকার জায়গায় ১০ টাকা, ১০০ টাকার জায়গায় হাজার টাকা ভাড়া নিয়েছে। শুধু তাতেই কষ্ট আর বিড়ম্বনার শেষ নেই। রাস্তায় রাস্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বেআইনি বাধা ঈদযাত্রী ঘরমুখো মানুষের যন্ত্রণা বাড়িয়ে দিয়েছে শতগুণ। কেউ কোনো সাধারণ বিচার-বুদ্ধি দিয়ে কাজ করে না। সবাই কেমন যেন কর্তার ইচ্ছাই কর্ম। এর মধ্যে সেদিন পাটুরিয়া ঘাটের কাছাকাছি এক মহিলা পুলিশের বক্তব্য হৃদয় স্পর্শ করেছে। চ্যানেলের লোকজন যখন জিজ্ঞেস করেন শক্তভাবে ব্যারিকেড কার্যকর করছেন না কেন? অসাধারণ মমতায় মহিলা পুলিশটি বলেছেন, ‘ঘরমুখো মানুষদের ফেরাতে বেশি শক্তি প্রয়োগ করলে, জোর-জবরদস্তি করলে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হতে পারে, জানমালের ক্ষতি হতে পারে। তাই আমরা অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করিনি।’ কি চমৎকার কথা। এ মেয়েটির কনস্টেবল না হয়ে এসপি হলে কত ভালো হতো। তার কি পরম বিবেচনাবোধ। বোধহীন প্রশাসনে এমন বিচার-বিবেচনার দু-চার জন থাকলে বাংলাদেশের অবস্থা বিশ্বের দরবারে তুলে ধরার মতো হতো।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও