কুইক লিঙ্ক : মুজিব বর্ষ | করোনা ম্যাপ | করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব

খুলনার বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসক সংকট

মানবজমিন প্রকাশিত: ২০ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০

আবারো মহামারি করোনাভাইরাসের আতঙ্কে খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন নামিদামি বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক সংকট তৈরি হয়েছে। জীবনের ভয়ে অনেক চিকিৎসক ব্যক্তিগত চেম্বার গুটিয়ে নিয়েছে। এতে করে অন্য রোগের রোগীরা জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি যেসব চিকিৎসকরা বিভিন্ন বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা ক্লিনিকে রোগীদের চিকিৎসা দেয়ার জন্য সিরিয়াল নিতেন, তারাও সেসব সিরিয়াল বন্ধ ঘোষণা করেছেন।খুলনায় সবচেয়ে আধুনিক, উন্নত হাসপাতাল খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও একই অবস্থা। পূর্বের নির্ধারিত শিডিউলের রোগীরাও পাচ্ছে না চিকিৎসকদের সাক্ষাৎ। খুলনা সাত রাস্তা মোড় এলাকার একজন ভুক্তভোগী রোগীর স্বজন রমজান আলী বলেন, আমার চাচার হার্টের সমস্যা অনেক আগের থেকে রিং পরানো ছিল। হঠাৎ গত ১৪ই এপ্রিল বুকে ব্যথা শুরু হয়, আমি কোনো উপায় না দেখে সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসি। কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষায় থাকার পরও হাসপাতালে কার্ডিওলজি বিভাগে কোনো চিকিৎসক পাওয়া যাইনি। আমি তাৎক্ষণিক বিষয়টি মুঠোফোনে সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. বিধান চন্দ্রকে অবগত করি। তিনি বলেন, আমার ব্যক্তিগত সমস্যা থাকায় আমি হাসপাতালে যাচ্ছি না। আপনি অপেক্ষা করেন আমি একজন চিকিৎসক পাঠিয়ে দিচ্ছি। তারপরও দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা থাকার পরও কোনো চিকিৎসকের দেখা পাওয়া যাইনি। খুলনা মডার্ন ফার্নিচারের মোড়ে প্রিন্স আল্ট্রাস্ক্যান এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে জরুরি ভিত্তিতে আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে এসে ফিরে যাচ্ছেন অনেক রোগী। কারণ করোনা আতঙ্কে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক আগে থেকে ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন।খুলনা বেসরকারি হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ডা. মিজানুর রহমান বলেন, চিকিৎসকদের এমন আচরণ কখনো কাম্য না। কারণ আল্লাহর পর চিকিৎসকদের মানুষ আসন দিয়েছে। তবে বেসরকারি হাসপাতালসহ ক্লিনিকগুলোতে আবারো এমন সমস্যা শুরু হয়েছে বিষয়টি নিয়ে আমি অবগত আছি। তাছাড়া অনেক চিকিৎসক রয়েছে যারা সরকারি হাসপাতালে চাকরি করেন। তাদের সকল বেলা সরকারি হাসপাতালে ব্যস্ত থাকতে হয়। খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. রাশেদা সুলতানা বলেন, বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে নিবন্ধন করার সময় তাদেরকে বিভিন্ন নিয়মের বিষয় উল্লেখ থাকে। তারা সে নিয়ম মানছে কি মানছে না আমরা তদন্ত করবো। পাশাপাশি প্রতিটি বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে নজর রাখবো সার্বক্ষণিক মেডিকেল অফিসার আছে কিনা। অন্য রোগের কোনো রোগী সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে কিনা এবং লিখিত কোনো অভিযোগ পেলে আমরা এসব ক্লিনিক মালিকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিবো।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও