কুইক লিঙ্ক : মুজিব বর্ষ | করোনা ম্যাপ | করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব

Bengal polls: আধলা ইট আর জমি দিন, বলাগড়ে বাড়ি তৈরি করে নেব, আশ্রয় চান মনোরঞ্জন

আনন্দবাজার (ভারত) প্রকাশিত: ০৮ এপ্রিল ২০২১, ২০:০২

তিনি এই আছেন। আবার নেই। বুধবার সন্ধ্যায় এক ঝলক দেখা হয়েছিল হুগলির বলাগড়ের খামারগাছি স্টেশন সংলগ্ন বাজারে একটি দলীয় পথসভায়। সেখানে বক্তা ছিলেন বলাগড় বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী মনোরঞ্জন ব্যাপারী। কিন্তু কাছে যাওয়া গেল না। তাঁকে ঘিরে থাকা তরুণ দলীয় কর্মী-সমর্থকদের বলয় কোনও ভাবেই ভেদ করা গেল না। মিনিট পনেরোর বক্তৃতা শেষ হতেই ফের বলয়গ্রাসে মনোরঞ্জন। হাত তুলে তখনকার মতো বিদায় জানিয়ে রওনা দিলেন অন্য কোথাও, অন্য কোনওখানে।বৃহস্পতিবার নাগাল পাওয়া গেল মনোরঞ্জনের (‘গেছোদাদা’ও বলা যায়)। তাঁর সমর্থনে বলাগড়েরই গুপ্তিপাড়ায় দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভা। তার কিছুক্ষণ আগেই মাথার উপর ঘূর্ণিপাক দিয়ে গিয়েছে চপারের শব্দ। বেলা তখন সাড়ে ১২টা। মাইক্রোফোনে নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা শোনাচ্ছেন মনোরঞ্জন। এই সময়েই মঞ্চে উপস্থিত হলেন দলনেত্রী। গুপ্তিপাড়া ২ নম্বর পঞ্চায়েত অফিস লাগোয়া ময়দানে তখন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের কানফাটানো চিৎকার। ফের মনোরঞ্জনের সঙ্গে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল।শেষ পর্যন্ত তাঁকে হাতের কাছে পাওয়া গেল জনসভার শেষে। ভাঙা মেলা হলেও তখনও তাঁকে ঘিরে তরুণ-তরুণীদের বৃত্ত। কেউ দু’চার কথা শুনতে চাইছেন। কারও আব্দার নিজস্বীর। এ বার অবশ্য সটান ঢুকে পড়া গেল বৃত্ত ভেদ করে। প্রাথমিক সৌজন্য শেষ করে দ্রুত পৌঁছনো গেল জিজ্ঞাস্যে— আপনাকে ঘিরে তরুণ-তরুণীদের উচ্ছ্বাস নজরকাড়া। কিন্তু আপনার নিজের তো বয়সের গাছপাথর নেই? প্রশ্ন শুনেই মুচকি হাসলেন রাজ্যের দলিত অ্যাকাডেমির সভাপতি। বললেন, ‘‘আমার জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার তারিখটা ছিল অদ্ভুত। ১৯৭৭ সালের জুলাই মাসের ৭ তারিখ। মানে ০৭/০৭/৭৭। বেরিয়ে মনে হল, কত দিন জ্যোৎস্না দেখিনি। কত দিন সূর্য,চাঁদ দেখিনি। অথচ বয়স হয়ে গেল। বুড়ো হয়ে যাচ্ছি। তখনই স্থির করেছিলাম, এ বার থেকে ভাবব, আমার মাস ৩০ দিনে নয়, ৩৬৫ দিনে। সেই হিসাবে আমার বয়স এখন বেড়েছে সামান্যই। আমি বুড়ো নই।’’

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও