কুইক লিঙ্ক : মুজিব বর্ষ | করোনা ম্যাপ | করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব

যেভাবে জঙ্গি কার্যক্রমে জড়ান ৯ জঙ্গি

মানবজমিন প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারি ২০২১, ০০:০০

২০০৯ সালের কথা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধর্মীয় আলোচনায় আকৃষ্ট হন তিনি। ধীরে ধীরে ইসলামের অপব্যাখ্যায় উদ্বুদ্ধ হতে থাকেন। এরপর থেকে জঙ্গি সংগঠনের দাওয়াতি শাখার সদস্য বনে যান। টানা সাত বছর ছিলেন জঙ্গি দলের সক্রিয় সদস্য। তিনি হলেন- শাওন মুনতাহা ইবনে শওকত (৩৪)।  শুধু তিনিই নন, তার স্ত্রী ডা. নুসরাত আলী জুহিকেও (২৯) নিয়ে আসেন একই পথে। শুরু হয় তাদের জীবনের অন্ধকার অধ্যায়। নিজের কারণে তার পরিবারে ওপর চরম দুর্ভোগ নেমে আসে। ছিলো না নিজের কোনো সামাজিক, পারিবারিক ও ব্যক্তিগত জীবন। সেই পথ থেকে ফিরে এসেছেন তিনি ও তার স্ত্রী। শাওন মুনতাহা ইবনে শওকত বলেন, পুরো সমাজ ব্যবস্থা থেকেই আমরা বিচ্ছিন্ন হয় গিয়েছিলাম। অনেক সময় নিরাপত্তাহীনতার কারণে মসজিদে গিয়ে ঠিকমতো নামাজটাও পড়তে পারতাম না। আমি যখন হিযরতে ছিলাম, তখন আমার ও পরিবারে ওপর চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছিল। নিজের কোনো সামাজিক, পারিবারিক ও ব্যক্তিগত জীবন ছিল না। আমার স্ত্রী একজন চিকিৎসক। কিন্তু জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ার কারণে তার জীবনেও চরম গ্লানি নেমে আসে। আর আমার সন্তানের জীবনে নেমে আসে আরো অন্ধকারের কালো ছায়া। জানা গেছে, শাওনের মাধ্যমে প্রভাবিত হয়ে তার স্ত্রী ডা. নুসরাত আলী জুহি জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়েছিলেন। ২০১১ সালে মেডিক্যাল শিক্ষার্থী ডা. নুসরাতকে বিয়ে করেন শাওন। পরবর্তীতে সংগঠনের নির্দেশনায় তিনি সিলেট থেকে ঢাকায় চলে আসেন। ২০১৭ সাল থেকে তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে ঢাকায় বসবাস শুরু করেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জোড়ালো অভিযানে গ্রেফতার আতঙ্কে তিনি ঢাকাতে বিভিন্ন জায়গায় বাসা বদল করে থাকতে শুরু করেন। একপর্যায়ে ভুল বুঝতে  পেরেছেন এই চিকিৎসক দম্পতি। জানা গেছে, সিলেটের একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন শাওন। ছাত্র থাকাকালীন অবস্থায় তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন হিযবুত তাহ্‌রীরে যুক্ত হন। পরে তিনি হিযবুত তাহ্‌রীরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখায় শীর্ষ পর্যায়ে চলে যান। ২০০৯ সালে আনসার আল ইসলামে  যোগ দেন।গতকাল রাজধানীর কুর্মিটোলায় র‌্যাব সদর দপ্তরে আয়োজিত ‘নব দিগন্তের পথে’- জঙ্গি আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে মধ্য দিয়ে নয় জঙ্গি সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। ওই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র থাকাকালীন আমি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধর্মীয় বিভিন্ন পোস্ট দেখে আকৃষ্ট হই। ২০০৯ সালে জঙ্গি সংগঠনের আনসার আল ইসলামের দাওয়াতি শাখায় কাজ শুরু করি। ২০০৯ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত আমি সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলাম। এক পর্যায়ে আমি আমার কয়েকজন বন্ধুকে মোটিভেট করে সংগঠনে যুক্ত করতে সক্ষম হই। তবে এখন পর্যন্ত আমি নিজে কখনও কোনো নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হইনি। সংগঠনের দায়িত্বশীলদের নির্দেশনায় আমি দাওয়াতি শাখা থেকে সংগঠনের প্রশিক্ষণ বিভাগের ম্যানেজমেন্টের দায়িত্বে নিয়োজিত হই। তখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতার কারণে আমি স্বাভাবিক জীবন-যাপন করতে পারছিলাম না। নিজের কোনো সামাজিক, পারিবারিক ও ব্যক্তিগত জীবন বলে কিছুই ছিলো না। পরে আমি নিজেকে জঙ্গি সংগঠন থেকে বের করে আনতে বাধ্য হই। তবে ওই সময়টায় আমি পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায়  ভুগতে শুরু করি। ধর্মীয় অপব্যাখ্যার শিকার হয়েছিলেন উল্লেখ করে নব দিগন্তে ফেরা শাওন বলেন, ‘একটা সময় গিয়ে বুঝতে পারি যে, আমি ধর্মীয় অপব্যাখ্যার শিকার হয়েছিলাম। তখন নিজেই অনুশোচনার বেড়াজালে আটকা পড়ে যাই। আমার ভেতরে নতুন বোধ উদয় হয়। আমি পরিবারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করি। স্ত্রী-সন্তানসহ পরিবার ও বন্ধুদর নিয়ে নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখি। তখন আমি কিছুটা ভীত হয়ে পড়েছিলাম। তারপর পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে র‌্যাব’র সঙ্গে যোগাযোগ করি। শুরুতে কিছুটা দ্বিধার মধ্যে থাকলেও  র‌্যাব আমার ভয়-ভীতি, দ্বিধা সব দূর করে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার জন্য সাহস দেয়। আমি র‌্যাব’র কাছে এর জন্য কৃতজ্ঞ। তার স্ত্রী ডা. নুসরাত আলী জুহি সিলেটের একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ছাত্রী থাকাবস্থায় জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের সদস্য শাওনকে বিয়ে করেছিলেন। মূলত স্বামী শাওন তাকে উগ্রবাদের দিকে অনুপ্রাণিত করেছিলেন। স্বামীর সঙ্গে তিনি সাংগঠনিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতেন। জঙ্গিবাদে জড়িত হওয়ার কারণে নুসরাত ঢাকায় কয়েকটি হাসপাতালে তার পরিচয়  গোপন রেখে খণ্ডকালীনভাবে চাকরি করেছিলেন। বর্তমানে তিনিও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছেন। নতুন করে নিজেকে গুছিয়ে আবার ঘুরে দাঁড়াতে চান তিনি।আরেক  তরুণী আবিদা জান্নাত আসমা ওরফে রাইসা (১৮)। ২০১৯ সালে এইচএসসি পাস করেন। ফেসবুকে এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয়, এরপর গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। বাবা-মা’কে না জানিয়ে পালিয়ে বিয়ে করেন ওই যুবককে। এরপর বিদেশে পড়তে যান। এরইমধ্যে স্বামীর উৎসাহে জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়েন তিনি। স্বাভাবিক জীবনে ফিরে, এই তরুণী বলেন, প্রেমের সূত্র ধরে পরিবারের অনুমতি ছাড়াই তাকে বিয়ে করি। পরবর্তীতে পড়াশোনার জন্য দেশের বাইরে চলে যাই। সে সময় স্বামীও আমার সঙ্গে দেশের বাইরে যায়। মূলত এটা তারই পরিকল্পনা অনুযায়ী হয়। কিন্তু আমার পরিবার জানতো না। ছয় মাসের মতো আমরা দেশের বাইরে ছিলাম। এরপর আবার দেশে ফিরে আসি। দেশে ফিরে এলেও আমার পরিবার জানতো না। দেশে ফিরে আমি আর আমার স্বামী প্রায় দেড় বছর বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপন করে। ওই সময়ই আমি আমার স্বামীর বিষয়ে জানতে পারি যে, সে একটি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে জড়িত। আমি জানার পর আমার স্বামী আমাকেও তার সঙ্গে যোগ দেয়ার কথা বলে। জঙ্গিবাদে তার কাজে সাহায্য করতে বলে। স্বামীর কথা শুনে আমিও জঙ্গিবাদে জড়িয়ে যাই। আসমা বলেন, আমি যে ভুল পথে পা বাড়িয়েছিলাম সেটা আমি ধীরে ধীরে বুঝতে পারি। এটা স্বাভাবিক জীবন না। বাবা-মায়ের আদর-ভালোবাসা-স্নেহ থেকে দূরে সরে এসে অনেক কষ্টে জীবনযাপন করতাম। ধর্মের নামে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে যে মানুষটি আমাকে জীবনসঙ্গী করে নিয়েছিল, সে মানুষটিও অনেক কষ্টে জীবনযাপন করতে থাকে। সমাজ ও পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ি। নিজেকে খুব অসহায় লাগতে শুরু করে। একপর্যায়ে আমি ওইপথ থেকে ফিরে আসতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করার সিদ্ধান্ত নিই। বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করি। আত্মসমর্পণের দিন আবিদা জান্নাত আসমা ওরফে রাইসাকে তার মায়ের হাতে তুলে দেয়া হয়। দেশের তরুণদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আমি অবশেষে বুঝতে পেরেছি, আমি ভুল পথে ছিলাম। আমি চাই না আমার মতো আর কেউ ভুল করুক। এ পথে পা না বাড়িয়ে সবাই যেন সুন্দর ও স্বাভাবিক জীবনযাপন করে। আমি আমার পলাতক স্বামীকেও ভুল পথ থেকে ফিরে আসার আহ্বান করছি। সবারই উচিত নিজের আত্মিক ও মানসিক পরিচর্যা করা। নিজের প্রতি নিজের জাজমেন্ট থাকা। কোনো কিছু অন্ধভাবে বিশ্বাস না করা। এদিকে  মেয়েকে ফিরে পেয়ে আসমার মা শাহিদা সুলতানা বলেন, আজ আমার মেয়ে আমার কাছে ফিরে এসেছে। আমরা আসমাকে ছোটবেলা থেকেই অনেক ভালোবাসতাম। কিছুদিন আগে জানতে পারি, আসমা যাকে পালিয়ে বিয়ে করেছে সে একজন জঙ্গি। সে তাকেও জঙ্গি বানিয়েছিল। একজন জঙ্গির মা হওয়া অনেক কষ্টের। আমি সব মা-বাবাকে অনুরোধ করবো, আপনাদের সন্তানদের প্রতি খেয়াল রাখুন, সময় দিন। শুধু আসমা বা শাওন  দম্পতিই নয়। এ রকম আরো নয়, জঙ্গি সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। তারা জঙ্গিবাদের মতো উগ্র মতাদর্শ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন।   র?্যাব’র নতুন উদ্যোগ ডি- রেডিক্যালাইজশেন প্রক্রিয়ার আওতায় স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন তারা। ফলে র?্যাব’র কাছে তারা আত্মসমর্পণ করেন। এদের মধ্যে ৬ জন জেএমবি এবং ৩ জন আনসার আল ইসলামের সদস্য।  ৯ জনের মধ্যে আরেকজন মো. সাইফুল্লাহ (৩৭) মাদ্রাসায় অধ্যয়নকালীন সময়ে তার সহপাঠীর মাধ্যমে সে জেএমবি’র সঙ্গে যুক্ত হন। তিনি দাওয়াতি কার্যক্রম ও অন্যান্য সাংগঠনিক কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন। কিন্তু তার কিছু সঙ্গী গ্রেপ্তার হওয়ার পর পালিয়ে বেড়াতে থাকেন। ফেরারি জীবনের কারণে তার পারিবারিক জীবনে অশান্তি শুরু হয়। তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং একপর্যায়ে ভুল বুঝতে পারেন। স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার জন্য র?্যাব’র সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নেন তিনি।র?্যাব বলছে, উগ্রবাদের সঙ্গে জড়িত প্রথম তিন ধাপের ব্যক্তিদের প্রাধান্য দিয়েছেন তারা। যখন কেউ জঙ্গি বা উগ্রবাদী হয়, তখন সে প্রথম দিনেই জঙ্গি হয়ে যায় না। র‌্যাব বলছে পাঁচ ধাপ শেষ করে একজন ব্যক্তি পূর্ণ জঙ্গিতে পরিণত হয়। প্রথম ধাপে তারা ওই জঙ্গি সংগঠনের প্রতি সহমর্মিতা দেখায়। দ্বিতীয় ধাপে সে হয়ে যায় ওই সংগঠনের সমর্থক। তারপর সে হয় অ্যাক্টিভিস্ট। এ পর্যায়ে সে বিভিন্ন কার্যকলাপে অংশ নেয়। চাঁদা আদায় করে, দাওয়াত দেয়। তারপর সে হয় এক্সট্রিমিস্ট। নিজের ভেতর উগ্রবাদ ধারণ করে। শেষ পর্যায়ে গিয়ে সে পরিবার-জগৎ থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে নেয়। অস্বাভাবিক একটা জীবন-যাপন শুরু করে। বায়াত গ্রহণ করে। আর যখন বায়াত গ্রহণ করে তারপর তারা জঙ্গিবাদে লিপ্ত হয়ে যায়। প্রথম তিন পর্যায়, সংগঠনের প্রতি সহমর্মিতা, সমর্থন এবং অ্যাক্টিভিস্ট যারা আছেন, তাদের নিয়ে কাজ করছে র?্যাব। তাদেরকে স্বাভাবিক জীবনযাপনে ফেরত আনার চেষ্টা করছে। মূলত সরকারের পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় র?্যাব তাদের কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনে। পাইলট প্রকল্প হিসেবে এখানে সফলতা পাওয়ার পর এটি স্থায়ী রূপ দিতে কাজ করছে র?্যাব। সমাজে পুনর্বাসিত করার জন্য তাদের ডি-রেডিক্যালাইজেশন করবে। আর তার জন্য র?্যাব সদস্য, শিক্ষক, আলেমদের নিয়ে একটা টিমও গঠন করেছে এই এলিট ফোর্স। ‘নব দিগন্তে প্রত্যাবর্তন’- এই স্লোগানের মধ্য দিয়ে র?্যাব সদর দপ্তরের আজাদ মেমোরিয়াল হলে গতকাল আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় এতে এই ন’জন আত্মসমর্পণ করেছেন। আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, আমরা শুধু জঙ্গিবাদ কঠোর হস্তে দমন করছি তাই নয়, পাশাপাশি ডির‌্যাডিকালাইজশনের মাধ্যমে তাদের ভুল পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি। যারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরছেন তাদের ট্রাক্টর, কৃষিজ উপকরণ, নগদ টাকা সহায়তা দেয়া হচ্ছে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, যারা এখনও জঙ্গিবাদের মতো ভুল পথে আছে তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার আহ্বান জানাচ্ছি। তিনি বলেন ‘ইমপ্রোভাইসড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি), ককটেল,  বোমা, ওই জর্দার কৌটার মতো জিনিসপত্র দিয়ে  তোমরা কাখনও বিজয়ী হতে পারবা না।  তোমরা ফিরে আসো। তোমরা ফিরে না এলে বেঘোরে প্রাণ যাওয়ার আশঙ্কা আছে। এই অন্ধকার জগৎ তোমার নিজেকে, পরিবারকে ও রাষ্ট্রকে বিপদে  ফেলতে পারে। অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে র‌্যাব’র মহাপরিচালক (ডিজি)  চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, যারা আজ সমাজের মূলধারায়  ফেরার জন্য আত্মসমর্পণ করেছেন, তাদের এই সমাজ যেন  আন্তরিকতার সঙ্গে গ্রহণ করে নেয়। তুই জঙ্গি- এ কথা বলে যেন তাকে আবারও  নেতিবাচক পথের দিকে ঠেলে দেয়া না হয়। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দিন।  প্রেক্ষাপট পর্যালোচনা করেন র‌্যাব’র অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন্স) কর্নেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার।  আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক বিভাগের অধ্যাপক  ড. ইমতিয়াজ আহমেদ, ক্র্যাবের সাবেক সভাপতি ও ইত্তেফাকের সিটি এডিটর আবুল খায়ের প্রমুখ।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও