কুইক লিঙ্ক : মুজিব বর্ষ | করোনা ম্যাপ | করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব

আফগান তালেবানের শক্তি

প্রথম আলো প্রকাশিত: ৩০ জুন ২০২০, ১৩:৫৯

আফগান তালেবান বিশ্বকে অবাক করে দিয়েছিল, যখন তারা দৃঢ়তার সঙ্গে জানিয়েছিল যে আফগানিস্তানে আল–কায়েদা নামের কোনো সংগঠনের অস্তিত্ব নেই। যুদ্ধের কৌশল হিসেবে কোনো কিছু অস্বীকার করার ইতিহাস আফগান তালেবানের রয়েছে ঠিকই কিন্তু আফগানিস্তানে আল–কায়েদার উপস্থিতি অস্বীকার করে তাদের এই বিবৃতি তাদের ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতার ইঙ্গিত দেয়।

দুই জঙ্গিগোষ্ঠীর সহযোগিতা ও বন্ধুত্বের যে দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে, বর্তমান বাস্তবতায় তা বজায় রাখা আরও কঠিন বলে মনে করছে তালেবান। ১৯৯০–এর দশকের শেষ দিকে প্রথমবারের মতো ক্ষমতায় আসার পর থেকে তালেবান শত্রু ও মিত্রদের ক্ষেত্রে সমানভাবে ‘অস্বীকার করার কৌশল’ ব্যবহার করে আসছে। সেই সময়টি ছিল এমন এক সময়, যখন আফগানিস্তান পাকিস্তানি সন্ত্রাসীসহ আন্তর্জাতিক জিহাদিদের আশ্রয়স্থল হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এটি ওপেন সিক্রেট ছিল যে লস্কর-ই-জাঙ্গভির সন্ত্রাসীরা তখন আফগানিস্তানে তাদের প্রশিক্ষণশিবির চালাচ্ছিল। তবে বেশ আশ্চর্যের বিষয়, পাকিস্তান যখনই এই সন্ত্রাসীদের হস্তান্তর দাবি করেছে, তখন তালেবান আফগানিস্তানের মাটিতে তাদের উপস্থিতির কথা অস্বীকার করেছে।

তবে এখনো আফগান তালেবান পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠনগুলো, বিশেষ করে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) সঙ্গে তাদের ঘনিষ্ঠতার কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করে না। জাতিসংঘের অ্যানালিটিক্যাল সাপোর্ট অ্যান্ড স্যাঙ্কশনস মনিটরিং টিমের একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে পাকিস্তানি জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো, মূলত টিটিপি আফগান তালেবানের অনুমতি এবং সমর্থন নিয়ে আফগানিস্তানের অভ্যন্তরে কাজ করছে। অনেক ক্ষেত্রেই আফগান তালেবান পাকিস্তানের আশঙ্কা সত্ত্বেও টিটিপি এবং এর সহযোগী সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নারাজ। একই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে আফগান তালেবান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার সময় আল–কায়েদার সঙ্গে নিয়মিতভাবে পরামর্শ করেছিল এবং আল–কায়েদা এই চুক্তিকে সম্মতি জানায়।  তালেবানের ভয়েস অব জিহাদ ওয়েবসাইটে পশতু ভাষায় পোস্ট করা একটি বিবৃতিতে আফগান তালেবান দাবি করেছে যে আফগানিস্তানের ভেতরে আল–কায়েদার উপস্থিতি নেই।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও