কুইক লিঙ্ক : মুজিব বর্ষ | করোনা ম্যাপ | করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব

একমাসেও হলো না পরীক্ষা, করোনা উপসর্গ নিয়েই চিকিৎসকের মৃত্যু

জাগো নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ২৫ জুন ২০২০, ০৯:২০

করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) উপসর্গ নিয়ে দীর্ঘ একমাসের বেশি সময় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন বিশিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. শহীদুল আনোয়ার। কিন্তু এই একমাসে অনেক চেষ্টা করেও তার করোনা পরীক্ষা করানো সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত পরপারেই চলে গেলেন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির এই সন্তান।

বুধবার দিবাগত রাতে চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাঁর ছেলে আব্দুল আহাদ।

তিনি অভিযোগ করেন, ‘একমাসের বেশি সময় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শ্বাসকষ্ট নিয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন আব্বা। এ একমাস শত চেষ্টা করেও বাবার করোনা টেস্ট করতে পারিনি। চমেকের চিকিৎসকরা বাবার চিকিৎসার বিষয়ে এবং করোনা টেস্টের বিষয়ে গুরুত্ব দেয়নি। দেশের একজন স্বনামধন্য চক্ষু বিশেষজ্ঞ হয়েও তিনি যথাযত চিকিৎসা পাননি।’

আহাদ জানান, তাঁর বাবার মরদেহ ফটিকছড়ির গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেখানে পারিবারিক কবরাস্থানে দাফন করা হবে।

জানা গেছে, চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. শহীদুল আনোয়ারের পরিবারে অনুরোধে একজন সাংবাদিক এই চিকিৎসকের করোনা টেস্ট এবং সুচিকিৎসার জন্য বিএমএ নেতাদের এবং চমেকের কয়েকজন চিকিৎসকে ফোন করে অনুরোধ করার পরও তার করোনা টেস্ট করাতে ব্যর্থ হন।

আলোচিত এক বিএমএ নেতাকে ফোন করে অনুরোধ করার পর তিনি সাংবাদিককে বলেন, আমি এখনই ব্যবস্থা নিচ্ছি। অথচ তিনি কিছুই করেননি। উল্টো একঘণ্টা পর ওই নেতা সাংবাদিককে ফোন করে বলেন, ডা. শহীদুল আনোয়ার স্যার এখন অনেক সুস্থ। উনাকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ করে বাসায় চলে যেতে বলা হলেও তিনি যাচ্ছেন না। অথচ শহীদুল আনোয়ার তখনো আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। এ তথ্য ওই চিকিৎসক নেতাকে বলার পর তিনি ফোন কেটে দেন বলে জানান ওই সাংবাদিক।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও