কুইক লিঙ্ক : মুজিব বর্ষ | করোনা ম্যাপ | করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব

কভিড-১৯ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক দরপত্র নিয়ে জটিলতা

বণিক বার্তা প্রকাশিত: ২৬ মে ২০২০, ২১:০০

অবৈধ সেলফোন হ্যান্ডসেট বন্ধের লক্ষ্যে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) প্রযুক্তি সরবরাহ ও পরিচালনায় গত ফেব্রুয়ারিতে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এরইমধ্যে দুই দফায় দরপত্র জমা দেয়ার সময় বাড়িয়েছে সংস্থাটি যা শেষ হবে আগামী ৩১ মে।  কিন্তু কভিড-১৯ পরিস্থিতিতে এ সময়ের মধ্যে দেশী-বিদেশী প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।হ্যান্ডসেট চুরি বা ছিনতাই রোধ ও অবৈধ বা নকল হ্যান্ডসেট বিক্রি বন্ধের পাশাপাশি সেলফোনভিত্তিক অপরাধমূলক কর্মকান্ড সনাক্তে ২০১২ সালে এনইআইআর স্থাপনের উদ্যোগ নেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা।


পরবর্তীতে নানা জটিলতায় এটির বাস্তবায়ন হয়নি। অবশেষে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি এনইআইআর প্রযুক্তি সরবরাহ, স্থাপন ও পরিচালনায় দরপত্র আহ্বান করা হয়। দরপত্র বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত আগ্রহীরা দরপত্র জমা দিতে পারবে ও একই দিন দরপত্র খোলা হবে। দরপত্র যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের সাত বছরের অভিজ্ঞতা থাকার বাধ্যবাধকতা দেয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ছয়টি প্রতিষ্ঠান দরপত্র জমা দিতে কমিশনের কাছ থেকে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র সংগ্রহ করে।কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সর্বশেষ গত ২১ এপ্রিল তৃতীয় দফায় দরপত্র বিজ্ঞপ্তি সংশোধন করা হয়।

এতে দরপত্র জমা দেয়ার সময় ৩১মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়। কভিড-১৯ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এ সময় বাড়ানো হয়েছে। এদিকে সময় আর বাড়ানো হবে না বলে দরপত্র ডকুমেন্ট সংগ্রহ করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে গত ২৩ মে ই-মেইলের মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।বিটিআরসি চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক বণিক বার্তাকে বলেন, এর মধ্যে কয়েক দফায় দরপত্রের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। এদিকে আর্থিক বরাদ্দের সময়কালও শেষ হয়ে আসছে। আশা করছি দরপত্র জমা দেয়ার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে ভালো সাড়া পাওয়া যাবে। যেসব প্রতিষ্ঠান দরপত্র জমা দেবে তাদের মধ্য থেকেই যাচাই-বাছাই করে কার্যাদেশ দেয়া হবে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও