কুইক লিঙ্ক : মুজিব বর্ষ | করোনা ম্যাপ | করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব

নিলামের টাকায় যা যা করার পরিকল্পনা মাশরাফির

বাংলা ট্রিবিউন প্রকাশিত: ২৪ মে ২০২০, ০০:৪৭

করোনাভাইরাসের সংক্রমণে ক্রিকেট বন্ধ। ক্রিকেটারদের পাশাপাশি কোচরাও বেকার সময় কাটাচ্ছেন। বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায়ের কোচদের সময় মোটেও ভালো যাচ্ছে না। জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা নানাভাবে ক্রিকেটসংশ্লিষ্ট সবার পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন। মাশরাফি-মুশফিক ছাড়াও কয়েকজন ক্রিকেটার তাদের স্মারক নিলামে তুলেছেন করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে সহায়তা করতে।মাশরাফি তার দেড় যুগের সঙ্গী ব্রেসলেট নিলামে তুলেছিলেন। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সফলতম অধিনায়কের ব্রেসলেটটি বিক্রি হয়েছে ৪২ লাখ টাকায়। এই তারকা পেসারের প্রিয় জিনিসটি কিনেছে দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন বিএলএফসিএ। প্রাপ্ত অর্থের পুরোটা চলে গেছে মাশরাফির ‘নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন’-এ। মাশরাফি জানিয়েছিলেন গরীব ও দুস্থ মানুষদের সহায়তায় তা কাজে লাগানো হবে।শুক্রবার রাতে তামিমের সঙ্গে লাইভ আড্ডায় বসেছিলেন মাশরাফি, মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ। সেখানেই মাশরাফির কাছে এই অর্থ কিভাবে কাজে লাগানো হবে, সেই সম্পর্কে জানতে চান তামিম।

মাশরাফি বলেছেন, “এখনও আসলে পুরোপুরি পরিকল্পনা করিনি। তবে ‘নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন’-এ যেহেতু টাকাটা এসেছে, আমাদের নড়াইলেই বেশি অর্থ ব্যয় করা হবে। নড়াইলে ২৫ লাখ টাকা এবং নড়াইলের বাইরে ১৫ লাখ টাকা ব্যয় করার ইচ্ছা।”নড়াইলের বাইরে কিভাবে খরচ হবে, সেটারও ধারণা দিলেন মাশরাফি, ‘ঢাকার ভেতর ৮০ জন ক্রিকেট কোচ আছে। কারা খারাপ অবস্থার মধ্যে আছে, আস্তে আস্তে আমি সেগুলো বের করছি। সবকিছু নিয়ে নড়াইলে মিটিং হচ্ছে। নড়াইল ফাউন্ডেশনের কর্মীরা সুন্দর কিছু পরিকল্পনা করার চেষ্টা করছে।’এর বাইরেও মাশরাফি আরও কিছু পরিকল্পনার কথা জানালেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের করোনাভাইরাস চিকিৎসার জন্য বিশেষ একটি পরিকল্পনা আছে। এর বাইরে করোনার জন্য প্লাজমা তৈরি করছে। ওখানে কিছু করা যায় কিনা, সেটাও ভাবছি। তবে এখনও কিছু চূড়ান্ত হয়নি।’মাশরাফির ব্রেসলেটটি যে এত দামে বিক্রি হবে কল্পনাও করেননি তামিম, ‘মাশরাফি ভাই, শুরুতে আপনাকে অভিনন্দন। আপনার এই ব্রেসলেটটি যে এত দামে বিক্রি হবে আমি কল্পনাও করিনি। আপনাকে ধন্যবাদ, আপনি নিজের পছন্দের জিনিসটি নিলামে তুলেছেন এবং সবার জন্য কিছু করার চেষ্টা করেছেন। ‘মাশরাফির মতো মুশফিক তার প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির ব্যাট নিলামে তুলেছিলেন। পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার শহীদ আফ্রিদি ‍ব্যাটটি ১৭ লাখ টাকায় কিনে নেন। এখানে অবশ্য তামিমের কিছুটা ভূমিকা আছে। মুশফিকের কাছে তামিমের প্রশ্ন ছিল, নিলামের অর্থ কতটুকু ব্যয় করা হয়েছে?শুরুতেই তামিমকে ধন্যবাদ দিয়ে মুশফিক বলেছেন, ‘ধন্যবাদ তোকে, তুই আমাকে এ ব্যাপারে সাহায্য করেছিস।  ৫-৬টা জায়গায় দিয়েছি। হুইল চেয়ার ক্রিকেট দল, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কিছু দিয়েছি। আমার এলাকা বগুড়াতে অনেক দরিদ্রলোক আছে, ওখানে দিয়েছি। ওখানকার অবস্থা ভালো নয়। আমার ডিস্ট্রিবিউশন হয়ে গেছে। মাশরাফি ভাইয়ের মতো অত টাকা না পেলেও কাছাকাছি পেলে হয়তো আরও মানুষকে সহায়তা করতে পারতাম। যাইহোক, যতটুকু পেয়েছি আলহামদুল্লিাহ। মাশরাফি ভাইকে অভিনন্দন।’

মুশফিকের কথা শেষ হতেই মাশরাফি বলা শুরু করেন, ‘যারা যারা এগিয়ে আসছে সবাইকে ধন্যবাদ। মুশফিককে ধন্যবাদ। আমাদের যা উদ্দেশ্য ছিল তা আমরা করতে পেরেছি, সেটাই তো বড় কথা। ধন্যবাদ শহীদ আফ্রিদি ও মুমিনুল ভাইকে।’মাশরাফি-মুশফিকের মতো কোনও স্মারক নিলামে না তুললেও প্রচারের বাইরে থেকে ময়মনসিংহে হত দরিদ্রদের সহায়তা করছেন মাহমুদউল্লাহ। দলের ‘আনসাং হিরো’র মতো এখানেও একই ভূমিকাতে মাহমুদউল্লাহ, ‘মুশি (মুশফিক), তামিম ও মাশরাফি ভাইকে ধন্যবাদ। সবাই যার যার জায়গা থেকে করছে। আমি আমার সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি। আমি এ ব্যাপারগুলো খুব একটা ডিসক্লোজ করতে চাই না।’

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও