কুইক লিঙ্ক : মুজিব বর্ষ | করোনা ম্যাপ | করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব

করোনা রোগী ও মৃত্যু দ্রুত বাড়ছে, পরীক্ষায় চাপ

প্রথম আলো প্রকাশিত: ২৩ মে ২০২০, ০৯:২৩

সপ্তাহ দুয়েক ধরে দেশে করোনাভাইরাসের আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। ফলে করোনা (কোভিড-১৯) রোগীদের জন্য নির্ধারিত হাসপাতালগুলোতে চাপ বাড়ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হাসপাতাল ও শয্যা সংখ্যা আরও বাড়াচ্ছে সরকার। একই সঙ্গে বাড়ছে নমুনা পরীক্ষার চাপও। এর মধ্যে পরীক্ষার কেন্দ্র বেড়েছে। গত বুধ ও বৃহস্পতিবার পরীক্ষা ১০ হাজার ছাড়িয়েছে। গতকাল শুক্রবার সামান্য কম ছিল। এরপরও বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষার জন্য আগের রাত থেকে লাইন ধরার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

পবিত্র ঈদুল ফিতর সমাগত। ঈদের ছুটিতে বেসরকারি কিছু কিছু পরীক্ষাকেন্দ্র বন্ধ থাকতে পারে। তাতে পরীক্ষার চাপ একটু বাড়তে পারে।

গতকাল পর্যন্ত দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ হাজার ২০৫ জন। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরে আক্রান্ত ১৩ হাজার ৫৮ জন। দেশের মোট করোনা শনাক্তের ৪৩ শতাংশই রাজধানীতে। এখন পর্যন্ত রাজধানীতে শুধু করোনায় আক্রান্তদের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য সরকার ১৩টি হাসপাতাল নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে ৬টি বেসরকারি হাসপাতাল। এর বাইরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একটি অংশে এবং বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে নির্মিত অস্থায়ী আইসোলেশন সেন্টারেও করোনা রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এই ১৩টি হাসপাতালের মধ্যে বেসরকারি ইমপালস হাসপাতালে পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসা হচ্ছে। অন্য হাসপাতালগুলোর মধ্যে ৪টিতে কেবল করোনা পজিটিভ হয়েছেন, এমন রোগীদের ভর্তির ব্যবস্থা রয়েছে। এই ৪টি হাসপাতালে বহির্বিভাগ নেই।

৭টি হাসপাতালে করোনা পজিটিভ রোগী ভর্তি রাখার পাশাপাশি উপসর্গ নিয়ে কেউ গেলে বহির্বিভাগ বা জরুরি বিভাগে চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। আর একটি হাসপাতালে এখনো করোনা রোগী ভর্তি শুরু হয়নি, তবে হাসপাতালে বহির্বিভাগ খোলা রয়েছে।

বহির্বিভাগ চালু রয়েছে এমন দুটি সরকারি ও একটি বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, করোনার উপসর্গ নিয়ে কোনো রোগী এলে তাঁকে করোনা পরীক্ষা করার পরামর্শ দিয়ে নিকটস্থ পরীক্ষাকেন্দ্রে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আর পরীক্ষা করে করোনা পজিটিভ (সংক্রমণ নিশ্চিত) হয়েছেন, কিন্তু উপসর্গ মৃদু ও মাঝারি, এমন রোগীদের উপসর্গ অনুযায়ী ওষুধ দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। যাঁদের শারীরিক জটিলতা রয়েছে, তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি রাখা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সরকারি সূত্রগুলো বলছে, জেলা ও উপজেলায় প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনের জন্য ৬২৬টি প্রতিষ্ঠান প্রস্তুত করা হয়েছে। এতে ৩১ হাজার ৮৪০ জনকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা যাবে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জেলা সদর হাসপাতালগুলোতে সন্দেহভাজন করোনা রোগীদের নমুনা সংগ্রহের ব্যবস্থা রয়েছে। সংগ্রহ করা নমুনা নিকটস্থ পরীক্ষাকেন্দ্রে পাঠানো হয়।

করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে ৩০ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এর মধ্যে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৪ বা ২৫ মে পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদের আগে ও পরের দিনগুলোতেও করোনা শনাক্তের পরীক্ষা কার্যক্রম একইভাবে চলবে বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমের (এমআইএস) সাবেক পরিচালক ও করোনা পরীক্ষা কার্যক্রমের সমন্বয়ক সমীর কান্তি সরকার গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে এবং অন্য মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রিত যত পরীক্ষাকেন্দ্র রয়েছে, সেগুলো ঈদের ছুটিতেও চালু থাকবে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও