কুইক লিঙ্ক : মুজিব বর্ষ | করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব | প্রিয় স্টোর

প্রতীকী ছবি

করোনার সর্বশেষ পরিস্থিতি কি?

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১৬ জুন ২০২১, ১৩:৩৯
আপডেট: ১৬ জুন ২০২১, ১৩:৩৯

করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি চলছে সারাদেশেই। তবে প্রতিনিয়ত সংক্রমণের এলাকা বদলাচ্ছে। নতুন আক্রান্ত শনাক্তের হিসাব বলছে, সংক্রমণের শীর্ষে এখন খুলনা। ঢাকায় সংক্রমণ মোটামুটি একই রকম রয়েছে। তবে এরপর কোন এলাকায় সংক্রমণ বাড়বে, তা নিয়ে আগাম কোনো বার্তা দেওয়ার সুযোগ নেই।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু

খুলনা করোনা হাসপাতালে আরও ৯ জনের প্রাণহানি—সময় নিউজ (১৬ জুন ২০২১):মহামারি করোনাভাইরাসের আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে মারা গেছেন আরও ৯ জন। এছাড়া একদিনে জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৪৯ জন।

মঙ্গলবার (১৫ জুন) থেকে বুধবার (১৬ জুন) বিভিন্ন সময়ে তাদের মৃত্যু হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ডেডিকেটেড হাসপাতালে বিভিন্ন সময়ে এসব ব্যক্রিরা করোনা আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হন। এদের মধ্যে চারজনের বাড়ি বাগেরহাটে এবং একজনের বাড়ি খুলনায়।

রামেকে করোনায় প্রাণ গেল ১৩ জনের—পূর্বপশ্চিম (১৬ জুন ২০২১): প্রাণঘাতি করোনা সংক্রমণে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে আরো ১৩ জন মারা গেছেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (১৫ জুন) সকাল ৯টা থেকে বুধবার (১৬ জুন) সকাল ৯টার মধ্যে হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মারা যান তারা। এদের মধ্যে পাঁচজন করোনায় এবং আটজন করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।

এই ১৩ জনের মধ্যে আটজনের বাড়ি রাজশাহী জেলায়। এ ছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জের চারজন এবং কুষ্টিয়ার একজন মারা গেছেন। করোনা সংক্রমণ ও উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছিলেন তারা।

কুষ্টিয়ায় ৩ জনের মৃত্যু—ডেইলি স্টার (১৬ জুন ২০২১): কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। তারা কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারে কোভিড-১৯ পজিটিভ হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

ফরিদপুরে ১৬ দিনে ১৬ মৃত্যু—বাংলাট্রিবিউন (১৬ জুন ২০২১): ফরিদপুরে গত ১৬ দিনে করোনায় ১৬ জন মারা গেছেন। গত রবিবার শনাক্তের হার ছিল ৫৫ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ। সংক্রমণ হারের দিক দিয়ে এটা শীর্ষ জেলা ছিল। তবে সংক্রমণের হার কিছুটা হ্রাস পেলেও করোনা পরিস্থিতির যে উন্নতি হয়নি।

এ পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসককে লকডাউন দেওয়ার সুপারিশ করবেন বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন। তবে বাস্তবায়নের সুবিধা চিন্তা করে পুরো জেলাকে লকডাউন না করে অধিকতর খারাপ অবস্থা বিবেচনায় ফরিদপুর পৌরসভাকে পুরোপুরি কঠোর লকডাউনের আওতায় আনার কথা বলেছেন পুলিশ সুপার। বুধবার (১৬ জুন) লকডাউন দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদনের কথা রয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত

চুয়াডাঙ্গায় করোনা সংক্রমণের হার ৫৭ শতাংশ—জাগোনিউজ (১৬ জুন ২০২১): চুয়াডাঙ্গায় গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮টি নমুনা পরীক্ষায় ১৬ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এতে করোনা আক্রান্তের হার ৫৭ দশমিক ১৪ শতাংশ।

চুয়াডাঙ্গায় মঙ্গলবার পর্যন্ত মোট ১১ হাজার ৩৬৯ জনের নমুনা নেয়া হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়া গেছে ১০ হাজার ৭৯৭ জনের। নতুন ১৬ জনকে নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৩৪৫ জন। মঙ্গলবার কেউ সুস্থ না হলেও মোট এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৮৮৯ জন। মঙ্গলবার রাতে একজনসহ মোট মারা গেছেন ৭৩ জন।

নোয়াখালীতে আক্রান্তের হার ২১.৭৪—জাগোনিউজ (১৬ জুন ২০২১): নোয়াখালীতে ৩৪৫টি নমুনা পরীক্ষায় আরও ৭৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এতে করোনা আক্রান্তের হার ২১ দশমিক ৭৪ শতাংশ। এরমধ্যে নোয়াখালী সদরে ৪৭ জন, সূবর্ণচরে একজন, বেগমগঞ্জে ১১ জন, সোনাইমুড়িতে সাতজন, চাটখিলে দুজন, কোম্পানীগঞ্জে পাঁচজন ও কবিরহাটের দুজন।

আজ সকালে জেলা সিভিল সার্জন (সিএস) ডা. মাসুম ইফতেখার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রাজশাহী মেডিকেলে নতুন রোগী ৪৮ জন—জাগোনিউজ (১৬ জুন ২০২১): গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৮টি নতুন রোগী রামেকে ভর্তি হয়েছে। অন্যদিকে, সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৩ জন। রামেকের করোনা ইউনিটে মোট ১৮২ জন সন্দেহভাজন উপসর্গের রোগী ভর্তি রয়েছে। করোনায় পজিটিভ রোগী ভর্তি রয়েছে ১৬২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৩৪৪ জন রোগী ভর্তি ছিলেন রামেকের করোনা ইউনিটে।

কক্সবাজারে নতুন আক্রান্ত ৫৫—ইনকিলাব (১৬ জুন ২০২১): কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ল্যাবে ৭৩৯ জনের নমুনা টেস্ট করে ৫৫ জনের টেস্ট রিপোর্ট ‘পজেটিভ' পাওয়া গেছে। বাকী ৬৮৪ জনের নমুনা টেস্ট রিপোর্ট ‘নেগেটিভ’ আসে। কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. অনুপম বড়ুয়া সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মঙ্গলবার নতুন শনাক্ত হওয়া ৫৫ জন করোনা রোগীর সকলেই কক্সবাজারের রোগী। তারমধ্যে, ২৪ জন রোহিঙ্গা শরণার্থী। এছাড়া কক্সবাজার সদর উপজেলায় ৭ জন, রামু উপজেলায় ৩ জন, উখিয়া উপজেলায় ১২ জন, টেকনাফ উপজেলায় ৪ জন, চকরিয়া উপজেলায় ৪ জন এবং মহেশখালী উপজেলার ১ জন রোগী রয়েছে।

শার্শা-বেনাপোলে নতুন আক্রান্ত ২২—ডেইলি বাংলাদেশ (১৬ জুন ২০২১): যশোরের শার্শা উপজেলা ও বেনাপোলে ২৪ ঘণ্টায় ৩০টি নমুনা পরীক্ষা করে ২২ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের শতকরা হার ৭৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। ফলে সংক্রমণ ঠেকাতে সেখানে বিকেল ৫টার পর সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধসহ ১২টি কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

কুষ্টিয়ায় শনাক্তের হার ৪১ শতাংশ—ডেইলি স্টার (১৬ জুন ২০২১): একই সময়ে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের আরটি-পিসিআর ল্যাবে ২৩৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে কোভিড-১৯ পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন ৯৮ জন। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৪১ শতাংশ।

জয়পুরহাটে শনাক্তের হার ২২ থেকে ৩৭—জাগোনিউজ (১৫ জুন ২০২১): ভারতীয় সীমান্তবর্তী জেলা জয়পুরহাটে দিন দিন করোনা রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত ১৩ দিনে নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় করোনা শনাক্তের হার ২২ থেকে ৩৭ শতাংশে ওঠানামা করছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৫২টি নমুনা পরীক্ষা করে ৬৪ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে। এক্ষেত্রে একদিনে করোনা শনাক্তের হার ৩৭ শতাংশ।

লকডাউন

মেহেরপুরের সীমান্তবর্তী ৩ গ্রামে ১৪ দিনের লকডাউন—ডেইলি স্টার (১৬ জুন ২০২১): মেহেরপুরের গাংনী ও মুজিবনগর উপজেলার সীমান্তবর্তী তিনটি গ্রামে আজ মঙ্গলবার থেকে ১৪ দিনের লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। গ্রাম তিনটি হলো--মুজিবনগর উপজেলার আনন্দবাস এবং গাংনী উপজেলার তেঁতুলবাড়িয়া ও হিন্দা।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মেহেরপুরের সিভিল সার্জন ডা. নাসির উদ্দিন জানান, হিন্দা ও তেঁতুলবাড়িয়া গ্রামের অধিকাংশ বাসিন্দাদের করোনা উপসর্গ আছে। হিন্দা গ্রামে এক দিনে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ২৩ জন এবং তেঁতুলবাড়িয়া গ্রামে শনাক্ত হয়েছে ১৭ জন।

যশোরে আরও ৭ দিন বাড়ল লকডাউন—জাগোনিউজ (১৬ জুন ২০২১): নতুন বিধিনিষেধ জারি করে যশোরে ‘লকডাউন’ আরও সাতদিন বাড়ানো হয়েছে। অভ্যন্তরীণ রুটে গণপরিবহন চলাচল বন্ধের নির্দেশ রয়েছে। করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটি এ সিদ্ধান্ত নেয়। দ্বিতীয় দফার এই লকডাউন ১৬ জুন থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত চলবে।

দামুড়হুদায় ১৪ দিনের লকডাউন শুরু—মানবজমিন (১৬ জুন ২০২১): চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় গতকাল সকাল ৬টা থেকে টানা ১৪ দিনের লকডাউন শুরু হয়েছে। ভারত সীমান্তবর্তী এই উপজেলায় করোনা শনাক্ত ও মৃত্যুর হার বেড়ে যাওয়ায় গত সোমবার দুপুরে করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ সংক্রান্ত জেলা কমিটি এ লকডাউনের ঘোষণা দেয়। লকডাউন চলাকালে সকল প্রকার দোকানপাট বন্ধ থাকতে দেখা গেছে। তবে বিচ্ছিন্নভাবে কিছু যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেলেও সেভাবে যাত্রী দেখা যায়নি।